মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

         জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস পালনঃমহান বিজয় দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস,শহীদ দিবস, মে দিবস,বাংলা নববর্ষ, হজ্জ্ব ও উমরা ,আশুরা , শবে মেরাজ, শবে বরাত,শবে কদর,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান,ঈদে মিলাদুন্নবী কর্মসূচী উদযাপন, রমযানের কর্মসূচী পালন, তাফসীর মাহফিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক ও হিফজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা,যুব ও মহিলা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন,বুক ক্লাব প্রতিষ্ঠা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ,জাতীয় শোক দিবস ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস পালন (শিশু দিবস) ইসলামী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকার কর্তৃক দেয় যে কোন দায়িত্ব তাৎক্ষনিক ভাবে বাস্তবায়ন করা অন্যতম।                                                                                                     

           ২।মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমঃএ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটি বৃহৎ প্রকল্প এবং শিক্ষাসম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জন চাহিদা রয়েছে। মসজিদকে সমাজবিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকারভাবে প্রতিষ্ঠিত এবংমসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবেপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাপ্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যক্রমের ব্যাপক সাফল্যের প্রেক্ষিতে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাকার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ১০টি উপজেলায় কার্যক্রমযথারীত চালু রয়েছে্ । অত্র জেলায় ৫৬৫টি প্রাক-প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষা, ২১১টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং১২টিবয়স্ক ১০টিমডেলরিসোর্সসেন্টার২২টিসাধারণরিসোস  সেন্টাররয়েছে।টি মডেল রিসোর্স সেন্টারকাম উপজেলা সাব অফিস ও সাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনেরজন্য ফিল্ড অফিসার,ফিল্ড সুপারভাইজার ও কেয়ারটেকারগণ নিয়োজিতরয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষউপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

          মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃমসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদ সমূহকে গড়ে তোলার লক্ষেএবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবেপ্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমেপ্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষটাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুসত্মক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ পর্যমত্ম প্রায় ৭৫০টি মসজিদে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। এ সকলপাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরীহচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষারউন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহনিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষআগ্রহী হলে বিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণপূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহ করতে পারেন।

              ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কার্যক্রমঃ১৯৭৯ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে ইমামদেরকে ইসলামিয়াত, গণশিক্ষা, পরিবার কল্যান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, কৃষি ওবনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৪৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনপ্রদান করা হয়ে থাকে। ৭টি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬৬,০০০জন ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। খুলনা জেলায় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ইমামের সংখ্যা ২০০০ জন । প্রশিক্ষনের আলোকে ইমামগণ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে। এ কার্যক্রম রম্নটিন কাজ হিসাবে অব্যহত আছে ।  এছাড়া ডেইরী ফার্ম,মৎস্য খামার,কৃষি ও বনায়ন,পরিবেশ দূষণ,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন,যৌতুকবাল্যবিবাহ,নারী ও শিশুনির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন ইত্যাদি কাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

              হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গমনেচ্ছুকদের জন্য হজ্জ প্যাকেজ ঘোষনার প্রেক্ষিতে অত্র কার্যালয়ের পক্ষথেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজী সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগগ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ্জ সম্পাদনের স্বার্থে ধর্ম বিষয়কমন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদেরমধ্যে বিতরণ করা হয়। সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে সরকারী সুযোগ সুবিধাদিজেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করণ সমাবেশের মাধমে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া হজ্জ যাত্রীদের যাবতীয় সেবা প্রদান, হজ্জ সংক্রমত্ম তথ্যাদি অবগত করন এবং হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম এ কার্যালয়ের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হয়ে থাকে। 

 

           মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবংটঘঋচঅ এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাসত্মবায়নাধীনমানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যানিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজগঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ নিরম্নৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, কাজী এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এপ্রকল্প বাসত্মবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শপরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছেএবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

            ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্টঃসরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয়প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় খুলনা জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকেট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এরসদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাসিক চাঁদা১০/- টাকা প্রদান করে  । । মানুষের কল্যানে এ ট্রাস্ট কার্যকরভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। চলতি ২০১১-১২অর্থবছরে ট্রাষ্টেরসদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য ও সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হবে।দুঃস্থ,অসহায়,অসুস্থ সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। এমতাবস্থায়নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

              ইসলামিক মিশন কার্যক্রমঃইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী চিকিৎসা ভিত্তিক কর্মসূচী হলোমিশন কার্যক্রম । ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসাসেবাদান, সেলাই প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষাও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

            প্রকাশনা কার্যক্রমঃইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামী সাহিত্য ও আল কুরআনুল করীম মা‘আরেফুল কুরান,হাদীস গ্রন্থসহ অসংখ্যবই প্রকাশ করে এক বিরল দৃষ্টামত্ম স্থাপন করেছে। ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী , ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন,তাফসির, দর্শন,মনীষীদের জীবনী, ইসলামীঅর্থনীতি, নারী অধিকার,দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম,ইসলামী বিশ্বকোষ, ফাতাওয়া ওমাসায়েল শীর্ষক গ্রন্থ এবং বিভিন্ন হাদীসগ্রন্থ প্রকাশনাসহ ইসলামিকফাউন্ডেশন হতে এ পর্যমত্ম প্রায় ৩,৬০০ শিরোনামের প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষেরউপরে বই প্রকাশিত হয়েছে। লক্ষ মাত্রার আলোকে বই বিক্রয়ের কার্যকর পদক্ষেপগ্রহন করতে হয়। এ সকল বই জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিপনন হয়েথাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুসত্মক ক্রয়ে কোন টেন্ডার বা দরপত্রেরপ্রয়োজন হয় না।প্রতিটি অনুষ্ঠানে আপনার প্রিয়জনকে ও পুরস্কার বিতরণঅনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বই সহজ মূল্যে ক্রয় করেবিতরণ/প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত বই অত্র কার্যালয়ের বিক্রয়শাখা থেকে সহজ মূল্যে ক্রয়ের জন্য জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করা হলো।

 

 

                ১০যাকাত বোর্ড কর্মসূচীঃসরকার দেশের দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানার্থে ১৯৮২ সালে যাকাত বোর্ড গঠনকরেন। যাকাত বোর্ডের আওতায় যাকাত আদায়ের কর্মসূচী পালন করা হয়ে থাকে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশেরখ্যাতমান আলেম ওলামাদের সমন্বয়ে যাকাত বোর্ড গঠিত। ইসলামের বিধানঅনুযায়ীযাকাতের ৮টি খাতে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানে গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যাকাত ফান্ডের অর্থে সেলাই মেশিন, শিক্ষাউপকরণ, উপবৃত্তি প্রদান, রিক্সা/ভ্যান, হাঁস মুরগী/গরু ছাগল, গৃহ নির্মাণএবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে অসহায় দুঃস্থদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়েথাকে। জেলা প্রশাসক ও জেলা যাকাত কমিটির সভাপতির মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রমবাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। দুঃস্থ অসহায়গণ নির্ধারিত ফরম ইসলামিক ফাউন্ডেশনথেকে সংগ্রহ পূর্বক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করলে সাহায্যপাওয়া যাবে।

           ১১ জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাঃচন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব নিরম্নপন এবং ধমীয় দিবস ও সরকারী ছুটিসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণের জন্য চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং গুরম্নত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসকএ কমিটির সভাপতি। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির মাধ্যমে প্রতিমাসে সভা যথারিতিবাসত্মবায়িত হয়ে আসছে। চান্দ্র মাসের সঠিক হিসাব-নিকাশে এ সভার ভূমিকাগুরম্নত্বপূর্ণ।

               ১২ ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীঃইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বসত্মরের জনগনের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষেজেলা পর্যায়ে লাইব্রেরী কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলা পাঠাগারে গবেষনা ধর্মী ইসলামীজ্ঞানবিকাশে বহু বিরল বই রয়েছে। এ পাঠাগার ১৯৮০-৮১ অর্থ বছর হতে পাঠাগারকার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু পাঠকদের জন্য এ পাঠাগারটি ইতোমধ্যেইসর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং জনচাহিদার প্রেক্ষিতে লাইব্রেরী কক্ষ বড় করা জরুরী।সর্বমহলে এ পাঠাগারের কার্যক্রম সমাদৃত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারীঅর্থে পরিচালিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসাবে ইতোমধ্যেনন্দিত হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু ও গবেষক এবং আগ্রহী পাঠকগণ এ পাঠাগারে এসেজ্ঞান অর্জন ও গবেষণা কার্য সম্পাদণ করতে পারেন।

              ১৩ নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষথেকে ইতোমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ীঅফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আজদেশব্যাপী তৃণমূল পর্যমত্ম বিসত্মৃত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যানেকাজ করে থাকে। যার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা আজমানুষের মুখে মুখে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা অফিসের কার্যক্রম একটিভাড়া বাড়ীতে পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি অতি পুরাতন এবংপ্রয়োজনের তুলনায় অফিস স্পেচের পরিমান খুবই

 

 

            ১৪মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানঃমাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, দিন বদলের সনদ বাসত্মাবায়ন এবং ভিশন ২০২১বাসত্মবায়নে কার্যালয়ের পক্ষথেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াপরিবেশের ভারসাম্য, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ওমাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাএবং বৃক্ষ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত শিক্ষক ও কেয়ারটেকার, শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, কার্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ সহযাগীতায় বিভিন্ন জাতের চারা রোপন ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

     দ্বিতীয়তঃ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধ, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মান সৎ , দক্ষও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস ও জংগীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে জনগনের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃস্টি করা হচ্ছে।গত ২০/০১/২০১০ তারিখে বঙ্গবন্ধু আমর্ত্মজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতজাতীয় ইমাম সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনএর জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা অফিস স্থাপনএবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষকদের জন্য প্রায় ১ লক্ষলোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ঘোষনা দিয়েছেন এবং এজন্য ইতোমধ্যে প্রকল্প প্রসত্মাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এ প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক পাশ হলে প্রায় ১ লক্ষলোকের চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি হবে । আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বলিষ্ট ভুমিকার প্রশংসা করি।

               ১৫মসজিদ জরিপঃজেলার প্রকৃত মসজিদ কত ? এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা একামত্ম আবশ্যক। এরই প্রেক্ষিতেধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগেসম্পুর্ণ সেচ্ছা শ্রমে কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তত্বাবধানেমসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষকার্যক্রমে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজার,কেয়ারটেকার,শিক্ষক, মসজিদ পাঠাগার লাইব্রেরীয়ান এবং ধর্মীয় নেত্রীবৃন্দের সহযোগিতায় কোনরম্নপঅর্থ ব্যয় ছাড়া খুলনা জেলার মসজিদ জরিপ কার্য সফল ও স্বার্থক ভাবেসম্পন্ন করা হয়েছে। এ জেলায় মসজিদের সংখ্যা ৮৯৭৬টি।

            ১৬জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃজঙ্গিবাদও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায়প্রতিটি মসজিদে জুমার খুদবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্যইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষনপ্রদান করা হয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশনপ্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

            ১৭ অন্যান্য কার্যক্রমঃযৌতুক ও মাদকের কুফল,বাল্যবিবাহ নিরম্নৎসাহিত করণ, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকাপ্রনয়ন ও দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সহযোগিতা, স্যানিটেশন, নারী ও শিশুনির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ, এইচ,আই,ভি,এইডস, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের কুফল বিষয়ে বই ও লিফলেট তৈরী ওবিতরণ, সচেতনতা সুষ্টি, ধুমপান নিরম্নৎসায়িত করণ, এন,আই,ডি বাসত্মবায়নেসহযোগিতা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,প্রজনন স্বাস্থ্য এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে জনগনকে অবহিত করা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার কর্তৃক দেয় দায়িত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বাসত্মবায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।


Share with :

Facebook Twitter