মেনু নির্বাচন করুন
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম ইসলামিক ফাউন্ডেশন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান। মহান আল্লাহর মনোনীত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা,ইসলামের যথাযথ প্রচার- প্রসারের এবং দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামের আলোকে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ্যাষ্ট প্রনীত হয়।

সাধারণ তথ্য

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
মুহাম্মদ এবাদুল্লাহপরিচালক041-285286001712911686ebadullah@yahoo.com
ড.মুহাম্মদ আবদুল হকউপ-পরিচালক041-285286001199158864d.ahaqe@yahoo.com
আল-ফারুকসহকারী পরিচালক041-285286001913913514faruque.faisal@yahoo.com
মোঃ হাসানুজ্জামানফিল্ড অফিসার041-285286001911436806hasanuzzaman@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ শাহজাহান আলীইউ ডি এ
রাকিব হোসেনহিসাব রক্ষক
মোঃ মনিরুজ্জামানপিএ
মোঃ আবদুল হামিমঅফিস সহকারী
এস এম আখতার উজ জামানঅফিস সহকারী
মোঃ কামরুল ইসলামমাষ্টারট্রেইনার
কাজী এনামুল হকফিল্ডসুপারভাইজার
মোঃ আব্দুর রাজ্জাকফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ ওবায়েদুল্লাহফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ ফাইজার রহমানফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ তাওহিদুল ইসলামফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ আলমগীর হোসাঈনফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ বেলাল হোসেনফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ আমিনুল ইসলামফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃ ইসহাক শেখফিল্ড সুপারভাইজার
মোঃতৌফিক হাসানলাইব্রেরী সহকারী
ডাঃ হাবিবা পারভীনহোমিও ডাক্তার
মোঃ মোস্তাগাউসুল হকএমএলএসএস
মোঃ হুমাউন কবিরএমএলএসএস
মোঃ জাহা্ঙ্গীর হোসেনএমএলএসএস
মোঃ আজিজুর রহমান তপনকর্মী

প্রকল্পসমূহ

 


১। জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস পালনঃ মহান বিজয় দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস,শহীদ দিবস, মে দিবস,বাংলা নববর্ষ, হজ্জ্ব ও উমরা ,আশুরা , শবে মেরাজ, শবে বরাত,শবে কদর,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান,ঈদে মিলাদুন্নবী কর্মসূচী উদযাপন, রমযানের কর্মসূচী পালন, তাফসীর মাহফিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক ও হিফজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা,যুব ও মহিলা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন,বুক ক্লাব প্রতিষ্ঠা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ,জাতীয় শোক দিবস ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস পালন (শিশু দিবস) ইসলামী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম  বাস্তবায়ন এবং সরকার কর্তৃক দেয় যে কোন দায়িত্ব তাৎক্ষনিক ভাবে বাস্তবায়ন করা অন্যতম।                                                                                                      

২। মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা  কার্যক্রমঃ এ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটি বৃহৎ প্রকল্প এবং শিক্ষা সম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জন চাহিদা রয়েছে। মসজিদকে সমাজ বিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকারভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং মসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যক্রমের ব্যাপক সাফল্যের  প্রেক্ষিতে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ১৬টি উপজেলায় কার্যক্রম যথারীত চালু রয়েছে্ । অত্র জেলায় ৫৬৫টি প্রাক-প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষা, ২১১টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র  এবং ১২টি বয়স্ক , ১০ টি মডেল রিসোর্স সেন্টার কাম উপজেলা সাব অফিস ২২টি সাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু রয়েছে্। এ শিক্ষার্থীগন প্রকল্প থেকে শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক উপকরণ (বই পুস্তক,চক,শেস্ট,বস্ন্যাক বোর্ড,সাইন বোর্ড, বসার মাদুর, ডাস্টার ইত্যাদি) বিনা মূল্যে পেয়ে থাকে। শিক্ষকগন মাসিক নির্ধারিত ২০০০/- সাধারন কেয়ারটেকারগণ ২৫০০/- ও মডেল কেয়ারটেকারগন ৩০০০/- টাকা সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন। এ প্রকল্পটি  ইতোমধ্যেই সারাদেশে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। একই সাথে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেকারদের কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে সাব অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাসত্মবায়নে শিক্ষক,কেয়ারটেকার, কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনের জন্য ফিল্ড অফিসার,ফিল্ড সুপারভাইজার ও কেয়ারটেকারগণ নিয়োজিত রয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষ উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

    ৩।  মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃ মসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদ সমূহকে গড়ে তোলার লক্ষে এবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষ টাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুসত্মক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ পর্যমত্ম প্রায় ৭৫০টি মসজিদে বিনামূল্যে  বই বিতরণ করা হয়েছে।  এ সকল পাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরী হচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহ নিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষ আগ্রহী হলে বিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণপূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহ করতে পারেন।

 

          ৪।  ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কার্যক্রমঃ ১৯৭৯ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে ইমামদেরকে ইসলামিয়াত, গণশিক্ষা, পরিবার কল্যান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, কৃষি ও বনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৪৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়ে থাকে। ৭টি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬৬,০০০জন ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।  প্রশিক্ষনের আলোকে ইমামগণ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে। এ কার্যক্রম রম্নটিন কাজ হিসাবে অব্যহত আছে ।   এ ছাড়া ডেইরী ফার্ম,মৎস্য খামার,কৃষি ও বনায়ন,পরিবেশ দূষণ,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন,যৌতুকবাল্যবিবাহ,নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন ইত্যাদি কাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

        ৫। হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃ সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গমনেচ্ছুকদের জন্য হজ্জ প্যাকেজ ঘোষনার প্রেক্ষিতে অত্র কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজী সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ্জ সম্পাদনের স্বার্থে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে সরকারী সুযোগ সুবিধাদি জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করণ সমাবেশের মাধমে অবহিত করা হয়।  এ ছাড়া হজ্জ যাত্রীদের যাবতীয় সেবা প্রদান, হজ্জ সংক্রমত্ম তথ্যাদি অবগত করন এবং হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম এ কার্যালয়ের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হয়ে থাকে। 

 

        ৬। মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায়  এবং টঘঋচঅ এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাসত্মবায়নাধীন মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজ গঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ নিরম্নৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয়  নেতৃবৃন্দ, কাজী  এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।  এ প্রকল্প বাসত্মবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছে এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা  উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

 

          ৭।  ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্টঃ সরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১ পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় কুমিলস্না জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে ট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এর সদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাসিক চাঁদা ১০/- টাকা প্রদান করে । মানুষের কল্যানে এ ট্রাস্ট কার্যকর ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। চলতি ২০১১-১২অর্থবছরে  ট্রাষ্টের সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য ও সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হবে। দুঃস্থ,অসহায়,অসুস্থ সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। এমতাবস্থায় নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

           ৮। ইসলামিক মিশন কার্যক্রমঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী চিকিৎসা ভিত্তিক কর্মসূচী হলো মিশন কার্যক্রম । ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসা সেবাদান, সেলাই প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা ও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

          ৯। প্রকাশনা কার্যক্রমঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামী সাহিত্য ও আল কুরআনুল করীম মা‘আরেফুল কুরান,হাদীস গ্রন্থসহ  অসংখ্য বই প্রকাশ করে এক বিরল দৃষ্টামত্ম স্থাপন করেছে। ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী , ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন,তাফসির, দর্শন,মনীষীদের জীবনী, ইসলামী অর্থনীতি, নারী অধিকার,দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম,ইসলামী বিশ্বকোষ, ফাতাওয়া ও মাসায়েল শীর্ষক গ্রন্থ এবং বিভিন্ন হাদীসগ্রন্থ প্রকাশনাসহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে এ পর্যমত্ম প্রায় ৩,৬০০ শিরোনামের প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষের উপরে বই প্রকাশিত হয়েছে। লক্ষ মাত্রার আলোকে বই বিক্রয়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হয়। এ সকল বই জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিপনন হয়ে থাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুসত্মক ক্রয়ে কোন টেন্ডার বা দরপত্রের প্রয়োজন হয় না।প্রতিটি অনুষ্ঠানে আপনার প্রিয়জনকে ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বই সহজ মূল্যে ক্রয় করে বিতরণ/প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত বই অত্র কার্যালয়ের বিক্রয় শাখা থেকে সহজ মূল্যে ক্রয়ের জন্য জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করা হলো।

 

 

          ১০। যাকাত বোর্ড কর্মসূচীঃ সরকার দেশের দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানার্থে ১৯৮২ সালে যাকাত বোর্ড গঠন করেন। যাকাত বোর্ডের আওতায় যাকাত আদায়ের কর্মসূচী পালন করা হয়ে থাকে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশের খ্যাতমান আলেম ওলামাদের সমন্বয়ে যাকাত বোর্ড গঠিত। ইসলামের বিধান অনুযায়ীযাকাতের ৮টি খাতে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে।  দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানে গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যাকাত ফান্ডের অর্থে সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ, উপবৃত্তি প্রদান, রিক্সা/ভ্যান, হাঁস মুরগী/গরু ছাগল, গৃহ নির্মাণ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে অসহায় দুঃস্থদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। জেলা প্রশাসক ও জেলা যাকাত কমিটির সভাপতির মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। দুঃস্থ অসহায়গণ নির্ধারিত ফরম ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে সংগ্রহ পূর্বক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করলে সাহায্য পাওয়া যাবে।

 

             ১১।  জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাঃ চন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব নিরম্নপন এবং ধমীয় দিবস ও সরকারী ছুটিসমূহ সঠিক ভাবে নির্ধারণের জন্য চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং গুরম্নত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসক এ কমিটির সভাপতি। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির মাধ্যমে প্রতিমাসে সভা যথারিতি বাসত্মবায়িত হয়ে আসছে। চান্দ্র মাসের সঠিক হিসাব-নিকাশে এ সভার ভূমিকা গুরম্নত্বপূর্ণ।

 

           ১২।  ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বসত্মরের জনগনের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ  সুবিধা সৃষ্টির লক্ষে জেলা পর্যায়ে লাইব্রেরী কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলা পাঠাগারে গবেষনা ধর্মী  ইসলামীজ্ঞান বিকাশে বহু বিরল বই রয়েছে। এ পাঠাগার ১৯৮০-৮১ অর্থ বছর হতে পাঠাগার কার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু পাঠকদের জন্য এ পাঠাগারটি ইতোমধ্যেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং জনচাহিদার প্রেক্ষিতে  লাইব্রেরী কক্ষ বড় করা জরুরী। সর্বমহলে এ পাঠাগারের কার্যক্রম সমাদৃত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন  সরকারী অর্থে পরিচালিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসাবে ইতোমধ্যে নন্দিত হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু ও গবেষক এবং আগ্রহী পাঠকগণ এ পাঠাগারে এসে জ্ঞান অর্জন ও গবেষণা কার্য সম্পাদণ করতে পারেন।

 

        ১৩।  নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ী অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম  আজ দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যমত্ম বিসত্মৃত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যানে কাজ করে থাকে। যার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা আজ মানুষের মুখে মুখে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিলস্না অফিসের কার্যক্রম একটি ভাড়া বাড়ীতে পরিচালিত হয়ে আসছে।  এটি অতি পুরাতন এবং প্রয়োজনের তুলনায় অফিস স্পেচের পরিমান খুবই নগন্য।

১৪। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানঃ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, দিন বদলের সনদ বাসত্মাবায়ন এবং ভিশন ২০২১বাসত্মবায়নে কার্যালয়ের  ক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।  এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৃক্ষ সমৃদ্ধ  বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত শিক্ষক ও কেয়ারটেকার, শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, কার্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ সহযাগীতায় বিভিন্ন  জাতের চারা রোপন ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

      দ্বিতীয়তঃ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধ, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মান সৎ , দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস ও জংগীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে জনগনের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃস্টি করা  হচ্ছে। গত ২০/০১/২০১০ তারিখে বঙ্গবন্ধু আমর্ত্মজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর জন্য উপজেলা পর্যায়ে  উপজেলা অফিস স্থাপনএবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষক দের জন্য প্রায় ১ লক্ষ লোকের  কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ঘোষনা দিয়েছেন এবং এজন্য ইতোমধ্যে প্রকল্প প্রসত্মাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এ প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক পাশ হলে প্রায় ১ লক্ষ লোকের  চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি হবে । আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বলিষ্ট ভুমিকার প্রশংসা করি।

 

            ১৫। মসজিদ জরিপঃ জেলার প্রকৃত মসজিদ কত ? এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা একামত্ম আবশ্যক। এরই প্রেক্ষিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্পুর্ণ সেচ্ছা শ্রমে কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তত্বাবধানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষকার্যক্রমে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজার,কেয়ারটেকার,শিক্ষক, মসজিদ পাঠাগার লাইব্রেরীয়ান এবং ধর্মীয় নেত্রীবৃন্দের সহযোগিতায় কোনরম্নপ অর্থ ব্যয় ছাড়া খুলনা জেলার মসজিদ জরিপ কার্য সফল ও স্বার্থক ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

        ১৬।জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদে জুমার খুদবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্য ইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

 

       ১৭ অন্যান্য কার্যক্রমঃ যৌতুক ও মাদকের কুফল,বাল্যবিবাহ নিরম্নৎসাহিত করণ, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সহযোগিতা, স্যানিটেশন, নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার  প্রতিরোধ, এইচ,আই,ভি,এইডস, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের কুফল বিষয়ে বই ও লিফলেট তৈরী ও বিতরণ, সচেতনতা সুষ্টি, ধুমপান নিরম্নৎসায়িত করণ, এন,আই,ডি বাসত্মবায়নে সহযোগিতা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,প্রজনন স্বাস্থ্য  এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে জনগনকে অবহিত করা এবং  স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার কর্তৃক দেয় দায়িত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বাসত্মবায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

 

যোগাযোগ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়।

মুজগুন্নী আ/এ,বয়রা,খুলনা।

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক্রমিক নং      

সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষিপ্ত সেবা প্রদান পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন / বিধি-বিধান/  নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ  হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

ঊপ-পরিচালক ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর ইমাম সাহেবগণ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকদের বরাবরে আবেদনপত্র পেশ করেন। এই আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়। নির্ধারিত তারিখে  তাদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকারে যারা মনোনীত হন তাঁদের একটি তালিকা নির্ধারিত ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়। এখানে ইমামদের পুনরায় চূড়ান্তভাবে যাচাই করা হয়। মনোনীত ইমামদের প্রশিক্ষণের জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং অমনোনীতদেরকে অবহিত করা হয়।  ইমাম সাহেবগণ ৪৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের সনদপত্র প্রদান করে  প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা হয়।

৪৫ দিন;  বিনামূল্যে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৭৫

 

পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

০২

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়, ফিল্ড অফিসার

প্রতি বছর অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি শিক্ষক ও কেন্দ্র বাছাই করার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্রসমূহ যাচাই বাছাইয়ের পর একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়। শিক্ষক নির্বাচন করার জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। অত:পর তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমোদিত তালিকা অনুসারে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়।  ফিল্ড সুপারভাইজার  প্রতিটি কেন্দ্রে একটি কমিটি গঠন করে দেন। উক্ত কমিটি মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

২ মাস ১৬ দিন;  বিনামূল্যে

১। শিক্ষক-কে এসএসসি সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে।

২। কেন্দ্র শিক্ষার্থীদের  বয়স ৬ এর নীচে হতে হবে।

৩। শিক্ষকের বয়স ১৮-৬৫ বছরেরমধ্যে হতে হবে।

৪। শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যাতায়াত করা ও পড়াশুনার পরিবেশ থাকতে হবে।

পরিচালক মসজিদ  ভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম-উপ-পরিচালক , জেলা কার্যালয়

 

ইমাম মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ঋণ/আর্থিক সহায়তা

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়, হিসাব রক্ষক

 

ট্রাস্টের আওতায় ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য নির্ধারিত কোটা দিয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা কার্যালয়ে  পত্র প্রেরণ করার পর জেলা অফিস আবেদনপত্র আহ্বান ও  যাচাই বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত আবেদনপত্রগুলো কমিটির নিকট উপস্থাপন করার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর গ্রাহকদেরকে ঋণ প্রদান করা হয়। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা গ্রহণে ব্যর্থ হয় তবে তাকে পুনরায় পত্র দেওয়া হয় এবং ঋণ বিতরণ শেষ করা হয়।

 

 

২৫ দিন;  

১। কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য

২। মাসিক নিয়মিত চাঁদা প্রদান

ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট

অধ্যাদেশ ২০০১

পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

০৪

যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়

যাকাত সংগ্রহ:  যাকাত ফান্ড প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা যাকাত কমিটির সভাপতি বরাবরে পত্র প্রেরণ করা হয়। জেলা যাকাত কমিটির সদস্য সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ- পরিচালক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলার  ধনী ব্যক্তিদেরকে যাকাত প্রদানের জন্য প্রধান কার্যালয় থেকে প্রেরিত পত্রের বিষয়টি অবহিত ও উদ্বুদ্ধ করেন। উক্ত ব্যাক্তিগণ পরবর্তীতে যাকাতের টাকা সরাসরি ব্যাংকে টাকা জমা প্রদান করে থাকেন।

যাকাত বিতরণ:

যাকাত গ্রহীতাদের আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করার জন্য তালিকা তৈরি করে কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। কমিটি  যাচাই-বাছাই করে যোগ্য   ব্যক্তিদেরকে নির্বাচন  করে   যাকাত বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকে।

৩ মাস;  বিনামূল্যে

যাকাত ফান্ড অধ্যাদেশ, ১৯৮২

পরিচালক, অর্থ ও হিসাব বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

 

 

০৫

মসজিদ পাঠাগার স্থাপন ও পরিচালনা

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করার জন্য মসজিদ কমিটির কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্র সমূহ যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলে  চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে মার্চ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট  পরিচালকের দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। এখানে মসজিদ পাঠাগারসমূহের প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করা হয় এবং এই পাঠাগার সমূহের জন্য পুস্তক অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদিত পাঠাগারের তালিকা ও অনুমোদিত পুস্তকসমূহ প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা অফিসে প্রেরণ করা হয়। অতঃপর  জেলা অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট মসজিদ পাঠাগার কমিটির নিকট পুস্তক গ্রহণ করার জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়। নির্ধারিত তারিখে এসে মসজিদ কমিটি পুস্তক গ্রহণ করবে। কোন কমিটি নির্ধারিত সময়ে পুস্তক গ্রহণ না করলে জেলা অফিস   থেকে পুনরায় পত্র প্রেরণ করা হবে। তারপরেও মসজিদ কমিটি পুস্তক গ্রহণ না করলে তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়।

৪ মাস (পাঠাগার স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়  প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে) ;  বিনামূল্যে

১.নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত করতে হয়

২.প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে পাঠাগার স্থাপন করা হয়

পরিচালক,       

মসজিদ পাঠাগার,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

০৬     

সেলাই প্রশিক্ষণ মেশিন  বিতরণ

সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

স্থানীয়ভাবে আগ্রহী ব্যাক্তিদের থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্রগুলো প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সপম্ন্ন করা হয়। অতপরঃ কমিটির মাধ্যমে  আবেদনকারীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। চূড়ান্তভাবে নিবাচিতদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত  হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সনদপত্র প্রদান ও একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

দাপ্তরিক কার্যক্রম- ৪০-৪৫ দিন

(প্রশিক্ষণ সময়-৩ মাস);  বিনামূল্যে

যাকাত ফান্ড, অধ্যাদেশ ১৯৮২

পরিচালক, ইসলামিক মিশন

০৭

ইসলামিক মিশনের মক্তব শিক্ষা কার্যক্রম

সিনিয়র মেডিক্যাল  অফিসার, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য বিজ্ঞপ্তি  প্রকাশ করার পর প্রাপ্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করে কমিটির মাধ্যমে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নির্বাচন সম্পন্ন  করে  মনোনীত শিক্ষককে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় ও সংশ্লিষ্ট মক্তবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

 দাপ্তরিক কার্যক্রম- ৩০ দিন ; বিনামূল্যে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৭৫

পরিচালক, ইসলামিক মিশন বিভাগ

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সেবা ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার পর্যায়

১।

ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

জেলা কার্যালয়

২।

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম

জেলা, উপজেলা

৩।

ইমাম মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট ঋণ/আর্থিক সহায়তা

জেলা

৪।

যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ

জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন

৫।

মসজিদ পাঠাগার স্থাপন ও পরিচালনা

জেলা, উপজেলা

৬।

সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ

ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

৭।

ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে মক্তব শিক্ষা কার্যক্রম

উপজেলা, ইউনিয়ন

সিটিজেন চার্টার

 

         জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস পালনঃমহান বিজয় দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস,শহীদ দিবস, মে দিবস,বাংলা নববর্ষ, হজ্জ্ব ও উমরা ,আশুরা , শবে মেরাজ, শবে বরাত,শবে কদর,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান,ঈদে মিলাদুন্নবী কর্মসূচী উদযাপন, রমযানের কর্মসূচী পালন, তাফসীর মাহফিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক ও হিফজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা,যুব ও মহিলা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন,বুক ক্লাব প্রতিষ্ঠা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ,জাতীয় শোক দিবস ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস পালন (শিশু দিবস) ইসলামী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকার কর্তৃক দেয় যে কোন দায়িত্ব তাৎক্ষনিক ভাবে বাস্তবায়ন করা অন্যতম।                                                                                                     

           ২।মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমঃএ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটি বৃহৎ প্রকল্প এবং শিক্ষাসম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জন চাহিদা রয়েছে। মসজিদকে সমাজবিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকারভাবে প্রতিষ্ঠিত এবংমসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবেপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাপ্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যক্রমের ব্যাপক সাফল্যের প্রেক্ষিতে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাকার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ১০টি উপজেলায় কার্যক্রমযথারীত চালু রয়েছে্ । অত্র জেলায় ৫৬৫টি প্রাক-প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষা, ২১১টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং১২টিবয়স্ক ১০টিমডেলরিসোর্সসেন্টার২২টিসাধারণরিসোস  সেন্টাররয়েছে।টি মডেল রিসোর্স সেন্টারকাম উপজেলা সাব অফিস ও সাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনেরজন্য ফিল্ড অফিসার,ফিল্ড সুপারভাইজার ও কেয়ারটেকারগণ নিয়োজিতরয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষউপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

          মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃমসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদ সমূহকে গড়ে তোলার লক্ষেএবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবেপ্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমেপ্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষটাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুসত্মক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ পর্যমত্ম প্রায় ৭৫০টি মসজিদে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। এ সকলপাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরীহচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষারউন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহনিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষআগ্রহী হলে বিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণপূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহ করতে পারেন।

              ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কার্যক্রমঃ১৯৭৯ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে ইমামদেরকে ইসলামিয়াত, গণশিক্ষা, পরিবার কল্যান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, কৃষি ওবনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৪৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনপ্রদান করা হয়ে থাকে। ৭টি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬৬,০০০জন ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। খুলনা জেলায় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ইমামের সংখ্যা ২০০০ জন । প্রশিক্ষনের আলোকে ইমামগণ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে। এ কার্যক্রম রম্নটিন কাজ হিসাবে অব্যহত আছে ।  এছাড়া ডেইরী ফার্ম,মৎস্য খামার,কৃষি ও বনায়ন,পরিবেশ দূষণ,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন,যৌতুকবাল্যবিবাহ,নারী ও শিশুনির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন ইত্যাদি কাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

              হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গমনেচ্ছুকদের জন্য হজ্জ প্যাকেজ ঘোষনার প্রেক্ষিতে অত্র কার্যালয়ের পক্ষথেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজী সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগগ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ্জ সম্পাদনের স্বার্থে ধর্ম বিষয়কমন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদেরমধ্যে বিতরণ করা হয়। সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে সরকারী সুযোগ সুবিধাদিজেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করণ সমাবেশের মাধমে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া হজ্জ যাত্রীদের যাবতীয় সেবা প্রদান, হজ্জ সংক্রমত্ম তথ্যাদি অবগত করন এবং হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম এ কার্যালয়ের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হয়ে থাকে। 

 

           মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবংটঘঋচঅ এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাসত্মবায়নাধীনমানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যানিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজগঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ নিরম্নৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, কাজী এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এপ্রকল্প বাসত্মবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শপরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছেএবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

            ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্টঃসরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয়প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় খুলনা জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকেট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এরসদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাসিক চাঁদা১০/- টাকা প্রদান করে  । । মানুষের কল্যানে এ ট্রাস্ট কার্যকরভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। চলতি ২০১১-১২অর্থবছরে ট্রাষ্টেরসদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য ও সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হবে।দুঃস্থ,অসহায়,অসুস্থ সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। এমতাবস্থায়নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

              ইসলামিক মিশন কার্যক্রমঃইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী চিকিৎসা ভিত্তিক কর্মসূচী হলোমিশন কার্যক্রম । ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসাসেবাদান, সেলাই প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষাও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

            প্রকাশনা কার্যক্রমঃইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামী সাহিত্য ও আল কুরআনুল করীম মা‘আরেফুল কুরান,হাদীস গ্রন্থসহ অসংখ্যবই প্রকাশ করে এক বিরল দৃষ্টামত্ম স্থাপন করেছে। ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী , ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন,তাফসির, দর্শন,মনীষীদের জীবনী, ইসলামীঅর্থনীতি, নারী অধিকার,দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম,ইসলামী বিশ্বকোষ, ফাতাওয়া ওমাসায়েল শীর্ষক গ্রন্থ এবং বিভিন্ন হাদীসগ্রন্থ প্রকাশনাসহ ইসলামিকফাউন্ডেশন হতে এ পর্যমত্ম প্রায় ৩,৬০০ শিরোনামের প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষেরউপরে বই প্রকাশিত হয়েছে। লক্ষ মাত্রার আলোকে বই বিক্রয়ের কার্যকর পদক্ষেপগ্রহন করতে হয়। এ সকল বই জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিপনন হয়েথাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুসত্মক ক্রয়ে কোন টেন্ডার বা দরপত্রেরপ্রয়োজন হয় না।প্রতিটি অনুষ্ঠানে আপনার প্রিয়জনকে ও পুরস্কার বিতরণঅনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বই সহজ মূল্যে ক্রয় করেবিতরণ/প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত বই অত্র কার্যালয়ের বিক্রয়শাখা থেকে সহজ মূল্যে ক্রয়ের জন্য জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করা হলো।

 

 

                ১০যাকাত বোর্ড কর্মসূচীঃসরকার দেশের দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানার্থে ১৯৮২ সালে যাকাত বোর্ড গঠনকরেন। যাকাত বোর্ডের আওতায় যাকাত আদায়ের কর্মসূচী পালন করা হয়ে থাকে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশেরখ্যাতমান আলেম ওলামাদের সমন্বয়ে যাকাত বোর্ড গঠিত। ইসলামের বিধানঅনুযায়ীযাকাতের ৮টি খাতে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানে গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যাকাত ফান্ডের অর্থে সেলাই মেশিন, শিক্ষাউপকরণ, উপবৃত্তি প্রদান, রিক্সা/ভ্যান, হাঁস মুরগী/গরু ছাগল, গৃহ নির্মাণএবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে অসহায় দুঃস্থদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়েথাকে। জেলা প্রশাসক ও জেলা যাকাত কমিটির সভাপতির মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রমবাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। দুঃস্থ অসহায়গণ নির্ধারিত ফরম ইসলামিক ফাউন্ডেশনথেকে সংগ্রহ পূর্বক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করলে সাহায্যপাওয়া যাবে।

           ১১ জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাঃচন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব নিরম্নপন এবং ধমীয় দিবস ও সরকারী ছুটিসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণের জন্য চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং গুরম্নত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসকএ কমিটির সভাপতি। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির মাধ্যমে প্রতিমাসে সভা যথারিতিবাসত্মবায়িত হয়ে আসছে। চান্দ্র মাসের সঠিক হিসাব-নিকাশে এ সভার ভূমিকাগুরম্নত্বপূর্ণ।

               ১২ ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীঃইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বসত্মরের জনগনের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষেজেলা পর্যায়ে লাইব্রেরী কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলা পাঠাগারে গবেষনা ধর্মী ইসলামীজ্ঞানবিকাশে বহু বিরল বই রয়েছে। এ পাঠাগার ১৯৮০-৮১ অর্থ বছর হতে পাঠাগারকার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু পাঠকদের জন্য এ পাঠাগারটি ইতোমধ্যেইসর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং জনচাহিদার প্রেক্ষিতে লাইব্রেরী কক্ষ বড় করা জরুরী।সর্বমহলে এ পাঠাগারের কার্যক্রম সমাদৃত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারীঅর্থে পরিচালিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসাবে ইতোমধ্যেনন্দিত হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু ও গবেষক এবং আগ্রহী পাঠকগণ এ পাঠাগারে এসেজ্ঞান অর্জন ও গবেষণা কার্য সম্পাদণ করতে পারেন।

              ১৩ নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষথেকে ইতোমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ীঅফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আজদেশব্যাপী তৃণমূল পর্যমত্ম বিসত্মৃত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যানেকাজ করে থাকে। যার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা আজমানুষের মুখে মুখে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা অফিসের কার্যক্রম একটিভাড়া বাড়ীতে পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি অতি পুরাতন এবংপ্রয়োজনের তুলনায় অফিস স্পেচের পরিমান খুবই

 

 

            ১৪মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানঃমাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, দিন বদলের সনদ বাসত্মাবায়ন এবং ভিশন ২০২১বাসত্মবায়নে কার্যালয়ের পক্ষথেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াপরিবেশের ভারসাম্য, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ওমাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাএবং বৃক্ষ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত শিক্ষক ও কেয়ারটেকার, শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, কার্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ সহযাগীতায় বিভিন্ন জাতের চারা রোপন ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

     দ্বিতীয়তঃ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধ, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মান সৎ , দক্ষও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস ও জংগীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে জনগনের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃস্টি করা হচ্ছে।গত ২০/০১/২০১০ তারিখে বঙ্গবন্ধু আমর্ত্মজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতজাতীয় ইমাম সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনএর জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা অফিস স্থাপনএবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষকদের জন্য প্রায় ১ লক্ষলোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ঘোষনা দিয়েছেন এবং এজন্য ইতোমধ্যে প্রকল্প প্রসত্মাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এ প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক পাশ হলে প্রায় ১ লক্ষলোকের চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি হবে । আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বলিষ্ট ভুমিকার প্রশংসা করি।

               ১৫মসজিদ জরিপঃজেলার প্রকৃত মসজিদ কত ? এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা একামত্ম আবশ্যক। এরই প্রেক্ষিতেধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগেসম্পুর্ণ সেচ্ছা শ্রমে কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তত্বাবধানেমসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষকার্যক্রমে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজার,কেয়ারটেকার,শিক্ষক, মসজিদ পাঠাগার লাইব্রেরীয়ান এবং ধর্মীয় নেত্রীবৃন্দের সহযোগিতায় কোনরম্নপঅর্থ ব্যয় ছাড়া খুলনা জেলার মসজিদ জরিপ কার্য সফল ও স্বার্থক ভাবেসম্পন্ন করা হয়েছে। এ জেলায় মসজিদের সংখ্যা ৮৯৭৬টি।

            ১৬জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃজঙ্গিবাদও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায়প্রতিটি মসজিদে জুমার খুদবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্যইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষনপ্রদান করা হয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশনপ্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

            ১৭ অন্যান্য কার্যক্রমঃযৌতুক ও মাদকের কুফল,বাল্যবিবাহ নিরম্নৎসাহিত করণ, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকাপ্রনয়ন ও দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সহযোগিতা, স্যানিটেশন, নারী ও শিশুনির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ, এইচ,আই,ভি,এইডস, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের কুফল বিষয়ে বই ও লিফলেট তৈরী ওবিতরণ, সচেতনতা সুষ্টি, ধুমপান নিরম্নৎসায়িত করণ, এন,আই,ডি বাসত্মবায়নেসহযোগিতা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,প্রজনন স্বাস্থ্য এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে জনগনকে অবহিত করা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার কর্তৃক দেয় দায়িত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বাসত্মবায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি

আইন ও সার্কুলার